• ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Protest

দেশ

হাজারো মানুষের জমায়েতের পরেই পাল্টা আক্রমণ! ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা নীতীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচির পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সংগঠনের ডাকে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতেই দলটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন।শনিবার রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নীতীন বলেন, দেশের যুবসমাজ নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে চায়। কিন্তু কিছু মানুষ তরুণ প্রজন্মকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক চিন্তা ও গঠনমূলক কাজের পথেই এগোবে।নাম না করেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিকেও ইঙ্গিত করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বিদেশে বসে কয়েক জন মানুষ মনে করছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজের চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু দেশের তরুণ প্রজন্ম কারও হাতের পুতুল নয়।নীতীন আরও বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করার কোনও প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের পরিশ্রমের ফলেই দেশে বিপুল সংখ্যক নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যে ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন দেখা গিয়েছে, সেই পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি সামনে আনা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে আরও স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।শনিবারের কর্মসূচিকে ঘিরে প্রথমে নানা জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়। শুধু অনুমতিই নয়, কর্মসূচি ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। অভিজিৎ দীপক ভারতে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে যে জল্পনা চলছিল, তাও বাস্তবে দেখা যায়নি। বরং কর্মসূচি চলাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক কর্মসূচি এবং তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হওয়া নতুন বিতর্ক এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সিএএ আন্দোলনের আগুন এবার ফিরল ফাইলে! পুরনো মামলা খুলে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের সম্পত্তি নষ্ট, ট্রেনে আগুন লাগানো এবং পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগে এবার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো মামলার ফাইল খুলে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের রাজ্য সফরের দিনই এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তদন্তে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকটি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় রেলের বহু সম্পত্তি। এর জেরে বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে বাধ্য হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ভারতীয় রেল।নবান্নে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীকে ভবানীপুরে রেল সুরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ দপ্তর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সেখানে বসেই পুরনো নথি, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, শুধু অভিযুক্তদের চিহ্নিত করাই নয়, রেলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাঁদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।রেল আইনে রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা, ভাঙচুর চালানো বা পরিষেবা ব্যাহত করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই বহু বছর পর এই মামলাগুলির তদন্ত ফের শুরু হওয়ার খবরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ! কালো শাড়ি, হাঁড়ি-কড়াই হাতে মহিলারা রাস্তায়

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তৃণমূল কংগ্রেস অভিনব প্রতিবাদে নামল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে রবিবার ধর্মতলা ও বিভিন্ন স্থানে তৃণমূলের নেত্রী-কর্মীরা হাতে হাঁড়ি, কড়াই, হাতা-খুন্তি ও বাসনপত্র নিয়ে মিছিলে অংশ নেন। মহিলারা কালো শাড়ি পরে প্রতিবাদ জানালেন। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চেও দেখা গেছে গ্যাস সিলিন্ডারের কাটআউট এবং বাসনপত্র নিয়ে মন্ত্রীরা শশী পাঁজা ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দেশের কেন্দ্রীয় সরকার রান্নার গ্যাসের দাম সিলিন্ডার প্রতি প্রায় ৬০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর প্রতিবাদে তিনি মহিলাদের পথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নো গ্যাস নো রান্না, অর্থাৎ গ্যাস না থাকলে রান্না সম্ভব নয়। তাই মহিলারা কালো শাড়ি পরে হাতা, হাঁড়ি, কড়াই নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেবেন।মমতা আরও বলেছেন, মহিলাদের ভোট কেটেছে বা তারা সংখ্যালঘু, জনজাতি, তফসিলি হোক, সব ধরনের মানুষ রাস্তায় নামুক এবং মানবিকভাবে প্রতিবাদ জানাক। তিনি বলেন, আইনজীবীরা যেভাবে কালো কোট পরে কোর্টে যান, ঠিক সেইভাবে মহিলারা কালো শাড়ি পরে প্রতিবাদে অংশ নিন। নিজে তিনি সাদা শাড়ি পরে মিছিলে উপস্থিত থাকবেন।এই প্রতিবাদ কর্মসূচি রাজ্যের মহিলা ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
কলকাতা

নাম কাটা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ, নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করে অনড় বামেরা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন সেলিম-মীনাক্ষীরা

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে রাতভর অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন বাম নেতারা। সিইও-র সঙ্গে সরাসরি দেখা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।বুধবার টি বোর্ডের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে সিইও দফতরের দিকে এগিয়ে যান বামফ্রন্টের নেতারা। মিছিলে হাঁটেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, নেতা সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্যান্যরা। তাঁদের অভিযোগ, চক্রান্ত করে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।সিইও মনোজ আগরওয়াল-এর হাতে সরাসরি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানালেও তিনি দেখা করেননি বলে দাবি বাম নেতৃত্বের। অধস্তন আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে বলা হলেও তাতে রাজি হননি তাঁরা। সেলিমদের স্পষ্ট কথা, স্মারকলিপি সিইও-কেই দিতে হবে। এরপরই দফতরের বাইরে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নেন নেতা-কর্মীরা।রাতভর কালো ত্রিপল পেতে রাস্তাতেই কাটান তাঁরা। আন্দোলনে সামিল ছিলেন ক্যাপ্টেন নামে পরিচিত মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বৈধ ভোটারের নাম কেটে কমিশন পার পাবে না। একদিকে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাবে, অন্যদিকে অফিসাররা বহাল তবিয়তে থাকবেন এমনটা হতে পারে না।এই অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দেন এভারেস্টজয়ী পিয়ালী বসাক-ও। তাঁর কথায়, জনগণের করের টাকায় বেতন পান কমিশনের আধিকারিকরা। অথচ সাধারণ মানুষের নামই যদি তালিকা থেকে বাদ পড়ে, তা হলে তা মেনে নেওয়া যায় না। পাঁচ বছর ধরে করের টাকায় কী কাজ হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।বাম নেতৃত্বের দাবি, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার যে কোনও চেষ্টা রুখে দেওয়া হবে। যতক্ষণ না সিইও-র সঙ্গে সরাসরি কথা হচ্ছে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে বলেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে তাই এখনও জারি রয়েছে ধরনা। পরিস্থিতির দিকে নজর রয়েছে প্রশাসনেরও।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, গর্ভস্থের মৃত্যুকে ঘিরে শিলিগুড়িতে বিস্ফোরণ, টিয়ার গ্যাসে থামল বিক্ষোভ

এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল শিলিগুড়ি। অভিযোগ, এক সিভিক ভলান্টিয়রের মারধরের জেরে গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং জলকামান ব্যবহার করে। মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হয়। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় আগে থেকেই বিপুল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবু বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে এগোতে থাকেন বলে অভিযোগ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তেইশে ডিসেম্বর ফাঁসিদেওয়ায় জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তির সময় এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এক সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। পরে গত নয় জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও আরও চারজন অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি বলে জানা গিয়েছে।অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেন বহু আদিবাসী মানুষ। এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কর্মসূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা ছিল, তাই পুলিশও প্রস্তুত ছিল। তবু পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

লোহার ব্যারিকেড বনাম বেগুনি আন্দোলন, উত্তাল স্বাস্থ্য ভবন

স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অনড় আন্দোলনে গর্জে উঠেছেন আশা কর্মীরা। বকেয়া ভাতা মেটানো, ন্যূনতম মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা-সহ একাধিক দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ চলছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার আশা কর্মী রাস্তায় নেমে নিজেদের দাবি জানাচ্ছেন। আন্দোলনের মধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।এই আন্দোলনের আগেই আশা কর্মীদের সতর্ক করেছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আশা কর্মীদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ফাঁদে পা না দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক স্বার্থে হয়তো তাঁদের দিয়ে আওয়াজ তোলানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শুনেছেন রাজনৈতিক কারণে চাঁদাও দেওয়া হতে পারে, যদিও বিষয়টি তিনি নিশ্চিত নন। তবে তাঁর প্রশ্ন, রাজ্য সরকার এত কিছু দেওয়ার পরেও কেন শুধু রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই আওয়াজ উঠছে, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কেন নয়।এই মন্তব্য ঘিরে পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, আশা কর্মীদের আটকাতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে লোহার ব্যারিকেড তোলা হয়েছে। তাঁর দাবি, লোহার প্রাচীরের আড়ালে সরকার বেশিদিন লুকিয়ে থাকতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত মানুষই সরকারকে টেনে রাস্তায় নামাবে।এই আন্দোলনে রাজ্যজুড়ে প্রায় ৮০ হাজারের বেশি আশা কর্মী রাস্তায় নেমেছেন বলে দাবি সংগঠনের। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে এসইউসিআই-এর শ্রমিক সংগঠন এআইইউটিইউসি-র পোস্টার। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক অশোক দাস জানান, রাজনীতির ফাঁদে পা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। তাঁর কথায়, সরকার রাজনীতিকে শুধু ভোটের হিসেবেই দেখে। কিন্তু সমাজের ভালোর জন্য যে আন্দোলন, সেটাই প্রকৃত রাজনীতি।অশোক দাস আরও বলেন, স্বাস্থ্য সচিব নিজেই ২১ তারিখে আলোচনার জন্য ডাক দিয়েছিলেন। সেই তারিখ মেনেই আশা কর্মীরা কলকাতায় এসেছিলেন। কিন্তু এখন সরকার বলছে তাঁরা রাজনীতি করছেন। তাঁর দাবি, গোটা বাংলার আশা কর্মীরা এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের হতে পারেন, কিন্তু কয়েকটি ন্যায্য দাবিতে সবাই একজোট হয়েছেন।আশা কর্মীদের কাজের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আশা কর্মীদের কার্যত ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। রাতের যে কোনও সময় ফোন এলেই সন্তানসম্ভবা মাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতে হয়। অথচ তাঁদের মাসিক ভাতা মাত্র ৫২৫০ টাকা। এত কম টাকায় এই কঠিন দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয় বলেই দাবি। শুধু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ নয়, ভোট, মেলা, খেলা বা পরীক্ষার সময়ও তাঁদের দিয়ে নানা দায়িত্ব করানো হয় বলেও অভিযোগ। এই কারণেই দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে নিয়ে এই আন্দোলন চলছে বলে জানান তিনি।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

রাজপথ জুড়ে বেগুনি ঝড়! আশা আন্দোলনে উত্তাল কলকাতা

রাজপথ জুড়ে আজ বেগুনি রঙের ঢেউ। আশা কর্মীদের বিক্ষোভে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাতভর ট্রেনে চেপে কলকাতার দিকে রওনা দেন আশা কর্মীরা। স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ছিল তাঁদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি। কিন্তু সেই কর্মসূচিকে ঘিরেই আরও এক লজ্জার ছবি দেখল শহর।রাতভর যাত্রা করেও বহু আশা কর্মী অভিযান তো দূরের কথা, গন্তব্য স্বাস্থ্য ভবন পর্যন্ত পৌঁছতে পারলেন না। শিয়ালদহ স্টেশনেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। প্ল্যাটফর্মে বসেই অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। অন্যদিকে, যাঁরা কোনওভাবে স্বাস্থ্য ভবনের কাছে পৌঁছেছিলেন, তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিল পুলিশের তৈরি লোহার ব্যারিকেড। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি।বিক্ষোভকারীদের জন্য খাবার পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে সেই খাবার গ্রহণ করেননি আশা কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, শুভেন্দু নিজে এসে তাঁদের কথা শুনুন। এখনও পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভস্থলে আসেননি। তবে তিনি সামাজিক মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, বর্বরোচিত সরকার। অমানবিক প্রশাসন। গণতন্ত্র বিপন্ন। মাতৃশক্তি লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত। অধিকার চাইলে রাজদ্রোহের তকমা দেওয়া হচ্ছে। এমন দমন-পীড়ন ইংরেজ আমলেও ছিল না।এদিকে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে গো ব্যাক স্লোগানের মুখে পড়তে হয়। অন্যদিকে সকালে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আশা কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে। তবে রাজনৈতিকভাবে কেউ যদি তাঁদের ব্যবহার করতে চায়, তাহলে সেই ফাঁদে পা না দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে কারও কাছে চাঁদা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি শুনেছেন, যদিও বিষয়টি নিশ্চিত নন।সব মিলিয়ে আশা কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে রাজপথে উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাতা বাড়েনি, বকেয়া মেলেনি! স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ফের বিস্ফোরণ আশা কর্মীদের

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় আশা স্বাস্থ্যকর্মীরা। বুধবার তাঁদের বিক্ষোভের ঢেউ আছড়ে পড়ল স্বাস্থ্য ভবনের সামনে। মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, ডেটা প্যাকের ব্যবস্থা, বকেয়া টাকা মেটানো এবং চাকরির নিশ্চয়তার দাবিতে আবারও পথে নামলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আশা কর্মীরা। গত কয়েক মাস ধরেই দফায় দফায় আন্দোলনে শামিল হচ্ছেন তাঁরা। কলকাতার রাজপথে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ছবিও বারবার সামনে এসেছে। এদিনও স্বাস্থ্য ভবনের সামনে উত্তেজনার ছবি দেখা যায়।এদিন স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল আশা কর্মীদের। তবে দাবি মানা না হওয়ায় বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়। বর্তমানে একজন আশা কর্মী মাসে মাত্র ৫২৫০ টাকা ভাতা পান বলে জানান পশ্চিমবঙ্গ আশা স্বাস্থ্য কর্মী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা। তাঁর দাবি, সারা দেশের নিরিখে ন্যূনতম মজুরি হওয়া উচিত ২৬ হাজার টাকা। সেই হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ১৫ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। পাশাপাশি বকেয়া টাকা কিস্তিতে নয়, একসঙ্গে মিটিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চাকরির স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।সংগঠনের নেত্রীদের বক্তব্য, কাজ করতে গিয়ে কোনও আশা কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। সরকার যে মোবাইল দিয়েছে, তার জন্য ন্যূনতম সাড়ে তিনশো টাকার ৫জি ডেটা প্যাক দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং দ্রুত বকেয়া মেটানোর দাবিও তুলেছেন তাঁরা।এদিকে এদিন জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আশা কর্মীরা কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিতেই পুলিশের বাধার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক জায়গায় হোম অ্যারেস্ট করার অভিযোগও সামনে এসেছে। স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে যাওয়ার পথে দুর্গাপুরে পৌর স্বাস্থ্যকর্মী কন্ট্রাকচুয়াল ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক কেকা পালকে মহিলা থানায় আটক করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে আশা কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
বিদেশ

খামেনেই বলেছিলেন ১ হাজার, রিপোর্ট বলছে ১৬ হাজার! ইরানে মৃত্যুমিছিল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই দাবি করেছেন, দেশজুড়ে চলা গণবিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র যে আরও ভয়াবহ, তা উঠে এসেছে একটি সাম্প্রতিক রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানে বিক্ষোভ দমনের নামে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ হাজার ৫০০ মানুষ। আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি নাগরিক।মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস ইরানের একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বর্ণনা করা হয়েছে খামেনেই সরকারের নির্মম দমননীতির কথা। ইরানের এক চিকিৎসক আমির পারাস্তা জানিয়েছেন, বিক্ষোভের শুরুতে নিরাপত্তা বাহিনী রবার বুলেট ব্যবহার করছিল। কিন্তু পরে খামেনেইয়ের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার শুরু হয়। দেখা মাত্রই আন্দোলনকারীদের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। রাইফেল ও মেশিনগানের গুলিতে বহু মানুষের মাথা, বুক ও কাঁধ ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে। রক্তে ভিজে যাচ্ছে রাজপথ।ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হলেও এলন মাস্কের স্টারলিঙ্কের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন অনেকে। সেই পথেই ওই চিকিৎসক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞ আমির পারাস্তার দাবি, গুলির আঘাতে চোখ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ থেকে এক হাজার মানুষ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজারের মধ্যে। নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও রয়েছেন।হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। রক্তের অভাবে বহু আহতের মৃত্যু হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও থামেনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযান।মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাঙন, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং কট্টর ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেই ক্ষোভই এবার রাস্তায় নেমে এসেছে। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই অভিযোগ উঠেছে, বিক্ষোভ দমাতে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।এর আগে আমেরিকার মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ দাবি করেছিল, ইরানে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। তবে নতুন এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসি কি শেষমেশ স্থগিত? ট্রাম্পের বার্তায় নতুন মোড় ইরান সংকটে

বিদ্রোহের আগুনে এখনও জ্বলছে ইরান। সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। এই আবহেই আমেরিকা থেকে একের পর এক হুমকি দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের সতর্কবার্তার পর বুধবার হঠাৎই বড় ঘোষণা করলেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করা হয়েছে।বুধবার ১৪ জানুয়ারি ইরানে ২৬ বছরের যুবক এরফান সলতানির ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন এবং সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খোমেইনির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। তবে নরওয়ের একটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইরান প্রশাসন আপাতত বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।সম্প্রতি ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ, গুলি চালানো এবং হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের মতে, এই দমন-পীড়নে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২৬০০ ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই ট্রাম্প দাবি করেন, সেই হত্যালীলা এখন থেমেছে।বুধবার ট্রাম্প বলেন, আমরা খবর পেয়েছি যে ইরানে খুন বন্ধ করা হয়েছে। আর কোনও হত্যা বা ফাঁসি হবে না। গত কয়েকদিন ধরে গোটা বিশ্ব এই বিষয়টি নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিল।তবে প্রশ্ন উঠেছে, যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে কোনও কূটনৈতিক যোগাযোগ নেই, তখন এই খবর ট্রাম্প পেলেন কীভাবে? এই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে এই তথ্য পেয়েছেন। তবে সেই সূত্র কী, তা প্রকাশ করেননি তিনি।ট্রাম্প আরও বলেন, এখন আমরা অপেক্ষা করব এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখব। হোয়াইট হাউস ইরানের দিক থেকে ইতিবাচক বার্তা পাচ্ছে।অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাহচি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। তাঁর কথায়, ফাঁসিতে ঝোলানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই ধরনের শাস্তির প্রশ্নই ওঠে না।তবে বাস্তবে পরিস্থিতি কতটা বদলাচ্ছে, তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে! যে কোনও মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় যে কোনও মুহূর্তে ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি।গত বছরের শেষ দিকে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ থেকেই ইরানে এই আন্দোলনের শুরু। মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যেই তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় নেমেছেন প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লক্ষ মানুষ। সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকার কড়া দমন নীতি নিয়েছে বলে অভিযোগ।দেশ জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় ব্ল্যাকআউট জারি রয়েছে। বিমান পরিষেবাও কার্যত বন্ধ। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাইরের দুনিয়ার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। সেখানে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। প্রয়োজন হলে কীভাবে তাঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সেই বিষয়েও পরিকল্পনা শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।এদিকে নরওয়ের একটি বেসরকারি সংগঠন রবিবার একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, বিক্ষোভ ও সরকারি দমন-পীড়নের জেরে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এছাড়াও ইরানের বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্র ও ত্রাণ শিবিরে হামলার খবর সামনে এসেছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ অবস্থায় রয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

শান্তনুর মন্তব্যে আগুন মতুয়া সমাজে, রাস্তায় নামছে মহাসঙ্ঘ

মমতা ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের ডাকা অবরোধ কর্মসূচিকে মান্যতা দিতে নারাজ শান্তনু ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। শান্তনু ঠাকুরের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুখেন্দ্রনাথ গাইন বলেন, মমতা ঠাকুরের ডাকা কর্মসূচির সঙ্গে প্রকৃত মতুয়াদের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই এই ধরনের আন্দোলনের পথে হাঁটা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের একটি মন্তব্য ঘিরে গত শুক্রবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি। মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীদের সঙ্গে শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীদের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ঠাকুরবাড়ি চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।শান্তনু ঠাকুরের দাবি, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা কেন এই ধরনের মন্তব্য করা হল, তার ব্যাখ্যা চাইতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সেই সময়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, মমতাবালা ঠাকুরের এক অনুগামীকে মাটিতে ফেলে কিল, চড়, লাথি ও ঘুষি মারা হয়। ওই ব্যক্তি শরীরের একাধিক জায়গায় চোট পান। এই ঘটনার পর মতুয়া সমাজে ক্ষোভ আরও বাড়ে।প্রসঙ্গত, সোমবার শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ৫০ লক্ষকে আটকাতে যদি ১ লক্ষ মতুয়া ভোট না দিতে পারে, সেটাও মেনে নিতে হবে। এই মন্তব্য ঘিরেই মতুয়া সমাজে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। সেই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতেই ঠাকুরবাড়িতে হাজির হয়েছিলেন মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা। তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনার প্রতিবাদেই ফের রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে মমতা ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া গোঁসাইদের মারধরের প্রতিবাদ এবং এসএআর তালিকায় মতুয়াদের নাম বাদ না যাওয়ার দাবিতে এই কর্মসূচি করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে বৈঠক করে মমতা ঠাকুরের সংগঠন। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চৌধুরী জানান, আগামী ৫ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
কলকাতা

বাংলাদেশ ইস্যুতে বিক্ষোভ, পুলিশের দাবি খারিজ করে জামিন দিল আদালত

বাংলাদেশে দীপু হত্যার প্রতিবাদের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছিল কলকাতাতেও। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শহর। সেই ঘটনার জেরে গ্রেফতার হওয়া ১২ জন বিক্ষোভকারীকে শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে জামিন দিল আলিপুর আদালত। তিন হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।এই ঘটনায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এর মধ্যে সাত জন আগেই জামিন পেয়েছিলেন। শুক্রবার বাকি ১২ জনের জামিন মঞ্জুর হওয়ায় এই মামলায় ধৃত সকলেই আপাতত মুক্তি পেলেন।মঙ্গলবার বেকবাগানে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনের অফিসের সামনে তীব্র বিক্ষোভ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে কুশপুতুল পুড়িয়ে ছুড়ে মারেন। এই ঘটনায় আট জন পুলিশকর্মী আহত হন। হাই কমিশনের বাইরে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে পুলিশের অভিযোগ।এই ঘটনার পর মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। সেদিন আদালত ১২ জন পুরুষ অভিযুক্তকে দুদিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। শুক্রবার ফের তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়।এদিন আদালতে পুলিশ ১২ জন অভিযুক্তের ১২ দিনের পুলিশি হেফাজত চায়। পুলিশের দাবি ছিল, ধৃতদের সঙ্গে কোনও আন্তর্জাতিক যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সরকারি আইনজীবী জানান, তদন্তে ইতিমধ্যেই ১১ জন সাক্ষীর বয়ান সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার প্রমাণ হিসেবে ইনজুরি রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছে।সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য, বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা জরুরি। তাঁর দাবি, একই সংগঠন ফের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। এতে আবার অশান্তি ছড়ালে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব পড়তে পারে। পুলিশকে এমনভাবে মারধর করা হয়েছে যে, হাসপাতালে থেকে ছাড়া পেলেও চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা এখনই কাজে যোগ দিতে পারবেন না।তিনি আরও জানান, হাই কমিশনের বাইরে গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং কুশপুতুল পুড়িয়ে পুলিশের দিকে ছুড়ে মারা হয়েছে। সেদিন একই ঘটনা হাই কমিশনের ভিতরেও ঘটতে পারত বলেও আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এমনকি শুক্রবারও একই সংগঠন ফের কর্মসূচিতে নেমেছে বলে দাবি করে পুলিশ।অন্যদিকে অভিযুক্তদের আইনজীবী আদালতে বলেন, খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করা হলেও তার স্বপক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দুদিনের তদন্তে খুনের চেষ্টার কোনও প্রমাণ আদৌ পুলিশ পেয়েছে কি না।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ১২ জন অভিযুক্তকে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

বাংলাদেশে হিন্দু খুনের প্রতিবাদে উত্তাল কলকাতা, বাংলা হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভ, ধুন্ধুমার

কলকাতার রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠল মঙ্গলবার। বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতেই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এই ঘটনায় একাধিক বিক্ষোভকারী আহত এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।বিক্ষোভকারীদের দাবি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন-সহ একাধিক ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি দীপুচন্দ্র দাসকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নৃংশস ভাবে হত্যা করে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। তাঁকে মারধর করে পোস্টে বেঁধে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী বাংলাদেশ পুলিশ স্বীকার করে দীপু কোনওরকম সাম্প্রদায়িক কথা বলেনি। সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকী বাংলাদেশ পুলিশ তাঁকে না রক্ষা করে হত্যাকারীদের হাতে তুলে দেয় বলে অভিযোগ।বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অত্য়াচারের প্রতিবাদেই এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মী-সমর্থকরা হাইকমিশনের সামনে জমায়েত হতে শুরু করেন। প্রথমদিকে পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বেগবাগান এলাকায় একাধিক পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা।পুলিশ সূত্রে খবর, বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের মূল গেটের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বারবার মাইকে সতর্কবার্তা দিয়ে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা অমান্য করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর ধস্তাধস্তি শুরু হলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।কূটনৈতিক স্থাপনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। লাঠিচার্জের পর পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত বাহিনী। সাময়িকভাবে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা রক্ষা করা প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে আরও অবনতি না ঘটে, সেই কারণেই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। অন্যদিকে, বিক্ষোভকারী সংগঠনগুলির বক্তব্য, তাঁদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জের নিন্দা জানিয়ে তাঁরা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫
রাজ্য

মৃত ভোটারের তালিকায় জীবিত কাউন্সিলর! নিজের সৎকার করতে শ্মশানে হাজির তৃণমূল নেতা

ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য হুগলির ডানকুনিতে। মৃত ভোটারের তালিকায় উঠে এল এক জীবিত কাউন্সিলরের নাম। আর সেই তালিকা দেখে নজিরবিহীন প্রতিবাদে নামলেন তিনি নিজেই। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের আয়োজন করে শ্মশানে পৌঁছে গেলেন ওই কাউন্সিলর। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।ঘটনাটি ডানকুনি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সূর্য দে দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। মঙ্গলবার সকালে যখন ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হয়, তখন দেখা যায় সূর্য দে-র নাম মৃত ভোটারের তালিকায় রয়েছে। তাঁর ক্রমিক নম্বর ৪০ এবং বুথ নম্বর ২২৬। জীবিত কাউন্সিলর নিজের চোখেই দেখেন, তাঁকে সরকারি নথিতে মৃত দেখানো হয়েছে।এই ভুলে ক্ষুব্ধ হয়ে কাউকে কিছু না জানিয়েই অভিনব প্রতিবাদে নামেন সূর্য দে। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করেন তিনি। তারপর সেগুলি সঙ্গে নিয়ে সরাসরি শ্মশানে পৌঁছে যান। কাউন্সিলরের এমন প্রতিবাদে ডানকুনি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।শ্মশানে বসেই নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করেন সূর্য দে। তিনি বলেন, তিনি নিজেই হেঁটে এসেছেন নিজের সৎকার করতে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে কীভাবে মৃত দেখানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেহেতু তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাই এসে যেন তাঁকেই চুল্লিতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।ভোটার তালিকার খসড়ায় এমন গরমিল ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

হাজারো মানুষের জমায়েতের পরেই পাল্টা আক্রমণ! ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা নীতীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচির পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সংগঠনের ডাকে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতেই দলটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন।শনিবার রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নীতীন বলেন, দেশের যুবসমাজ নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে চায়। কিন্তু কিছু মানুষ তরুণ প্রজন্মকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক চিন্তা ও গঠনমূলক কাজের পথেই এগোবে।নাম না করেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিকেও ইঙ্গিত করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বিদেশে বসে কয়েক জন মানুষ মনে করছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজের চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু দেশের তরুণ প্রজন্ম কারও হাতের পুতুল নয়।নীতীন আরও বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করার কোনও প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের পরিশ্রমের ফলেই দেশে বিপুল সংখ্যক নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যে ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন দেখা গিয়েছে, সেই পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি সামনে আনা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে আরও স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।শনিবারের কর্মসূচিকে ঘিরে প্রথমে নানা জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়। শুধু অনুমতিই নয়, কর্মসূচি ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। অভিজিৎ দীপক ভারতে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে যে জল্পনা চলছিল, তাও বাস্তবে দেখা যায়নি। বরং কর্মসূচি চলাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক কর্মসূচি এবং তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হওয়া নতুন বিতর্ক এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘অপমানে মাথা নোয়েনি’— স্বরূপ গ্রেফতারের পর ১০ পরিচালকের নাম প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা

স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে টলিউডের বিভিন্ন মহলে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে গ্রেফতারের পর সেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।স্বরূপ বিশ্বাস দীর্ঘদিন পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় টলিউডে কাজের ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং কর্মচারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।এই আবহে অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। হারাধনের দশটি ছেলে শিরোনামে করা সেই পোস্টে তিনি এমন দশ জন পরিচালকের কথা উল্লেখ করেছেন, যাঁরা নানা চাপের মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।সুদীপ্তার দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতির বিরুদ্ধে বহু পরিচালক একযোগে আইনি পদক্ষেপ করেছিলেন। পরে কাজের স্বার্থে অনেকেই সেই অবস্থান থেকে সরে এলেও কয়েক জন পরিচালক শেষ পর্যন্ত নিজেদের প্রতিবাদ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের নিয়েই পোস্টে লিখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, অপমান এবং পেশাগত ক্ষতির মুখেও তাঁরা নিজেদের নীতি থেকে সরে যাননি।সেই তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, আশীষ সেন চৌধুরী, অভিষেক সাহা, বিদুলা ভট্টাচার্য, দেবাশিস চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, কিংশুক দে, সুব্রত সেন, সুদেষ্ণা রায় এবং সুমিত দাম।সুদীপ্তার পোস্টে বিশেষভাবে উঠে এসেছে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নাম। অভিযোগ, দীর্ঘদিন তাঁকেও কাজের সুযোগ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি নিজের সৃজনশীল কাজ এবং সংগীতচর্চার মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। পরে অভিনেতা ও প্রযোজক দেব তাঁর একটি ছবিতে কাজের সুযোগ দেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে আরও কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক মেক-আপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, প্রায় দুবছর ধরে তিনি কোনও কাজ পাননি। কাজের সুযোগ চাইলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার কথাও তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন কাজ না পাওয়ার কারণে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি নিজের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এরপরই তাঁর পেশাগত জীবনে কিছু সুযোগ আসে। তবে অভিযোগের সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখন টলিউডে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর শিল্পী মহল এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ডিম আতঙ্কে শেষ মুহূর্তে বাতিল বৈঠক! তৃণমূল ভবন নিয়ে জোর জল্পনা

কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রবিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে ডাকা কাউন্সিলরদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।তৃণমূলের অন্দরের দাবি, বৈঠককে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। পাশাপাশি কিছু কাউন্সিলরের মধ্যেও বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে অনীহা দেখা গিয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। সেই পরিস্থিতির কথা উচ্চ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনোর পর বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।দলীয় সূত্রের আরও দাবি, নতুন মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্য কোনও স্থানে কাউন্সিলরদের ডেকে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরেরও কথা রয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা দল চাইছে না বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।উল্লেখ্য, ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর কলকাতা পুরসভায় প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রাজ্য সরকারের তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাবও দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে নতুন মেয়র নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের তৎপরতা বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নামও জল্পনায় উঠে এসেছে। তবে শেষ পর্যন্ত দল কাকে দায়িত্ব দেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকল পুলিশ, ঘর থেকে টেনে বের করা হল তৃণমূল কাউন্সিলরকে

কলেজ স্ট্রিটে রবিবার ভোর থেকে চলে টানটান উত্তেজনা। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টার নাটকীয় অভিযানের পর অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ কাউন্সিলরের বাড়িতে পৌঁছে যায় জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরেও তিনি দরজা খোলেননি।পুলিশের দাবি, কাউন্সিলর বাড়ির ভিতরেই ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আধিকারিকরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। তবুও দরজা না খোলায় শেষ পর্যন্ত চাবিওয়ালাকে ডাকা হয়। সদর দরজা ও একাধিক কোলাপসিবল গেটের তালা খুলে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ। এরপর ঘর থেকে কাউন্সিলরকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে বের করার সময় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সমর্থকেরা বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিক্ষোভে সামিল হন। কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয় এবং জমায়েত সরাতে বাহিনী তৎপর হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে এক নাবালিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে পকসো আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় কাউন্সিলর এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের নাম ছিল। অভিযোগ, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিতার পরিবারকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।শনিবার নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ওই তরুণীকে একা পেয়ে কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ কয়েক জন প্রথমে কটূক্তি করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আক্রান্ত তরুণী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনার পর আশপাশের একাধিক নজরদারি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই রবিবার সকালে পুলিশ কাউন্সিলরের বাড়িতে অভিযান চালায়।দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টার টানাপোড়েনের পর কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কাউন্সিলরসহ মোট দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

স্বরূপের পর কি এবার অরূপ? হাই কোর্টের শুনানির আগেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে তলব পুলিশের

স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে আইনি জটিলতার পর এবার কি একই পথে হাঁটতে চলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস? মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।গত ১৭ মে মেসির সফরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে প্রায় ২২ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজি, প্রতারণা, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।শতদ্রুর আরও দাবি, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। এমনকি অনুমতি ছাড়াই মেসির গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে ৪ জুন বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানান, অসুস্থতার কারণে আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে তাঁর পক্ষে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়।কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি পুলিশ। শনিবার ফের নোটিস পাঠিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রীকে সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে অরূপ বিশ্বাস প্রথমে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর তিনি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী ৯ জুন সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।তবে হাই কোর্টে শুনানির আগেই পুলিশের নতুন তলব ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর। সোমবার অরূপ বিশ্বাস থানায় হাজিরা দেন কি না এবং তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে আসে, তা নিয়েই কৌতূহল বাড়ছে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে হানা, উদ্ধার পুলিশের পোশাক ও গুলির খোল! ডায়মন্ড হারবারে তীব্র চাঞ্চল্য

ডায়মন্ড হারবারে এক পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরিষার কামারপোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মইদুল ইসলামের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ, ত্রিপল, কম্বল এবং পুলিশের পোশাক উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি গুলির খোল ও বাক্সও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে কয়েক জন গ্রামবাসী খবর পান যে প্রধানের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সামগ্রী মজুত রয়েছে। এরপর তাঁরা সেখানে গিয়ে বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালান বলে দাবি। অভিযোগ, সেখান থেকে হাজার হাজার ত্রিপল, শিশুদের খাদ্যসামগ্রী, পোশাক, কম্বল এবং প্রচুর ওষুধ উদ্ধার হয়।স্থানীয়দের আরও দাবি, উদ্ধার হওয়া ওষুধের মধ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পরিচালিত সেবাশ্রয় শিবিরের চিহ্নযুক্ত ওষুধও ছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হল, প্রধানের বাড়ি থেকে পুলিশের পোশাক এবং গুলির খোল উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এই সামগ্রী সেখানে পৌঁছল, তা নিয়ে কৌতূহল ও উদ্বেগ দুই-ই বাড়ছে।খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ এবং পারুলিয়া উপকূল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, সমস্ত সামগ্রীর উৎস এবং সেগুলি কীভাবে ওই বাড়িতে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিযুক্ত প্রধান এলাকায় নেই। ফলে তাঁর বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে বণ্টন না করে মজুত রাখা হয়েছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পোশাক উদ্ধারের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে তারা। তাঁদের অভিযোগ, এই পোশাক ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার বা ভয় দেখানোর মতো কাজ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও সরকারি প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।এদিকে, এই ঘটনার বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, তার উপরই নির্ভর করবে এই বিতর্কের ভবিষ্যৎ।

জুন ০৭, ২০২৬
টুকিটাকি

গরমের দিনে পান্তা ভাতের জুড়ি নেই, শুধু সুস্বাদু নয়, এতে লুকিয়ে আছে পুষ্টির ভাণ্ডার

পান্তা ভাত। শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। এ স্বাদের কোনও ভাগ হবে না। সত্যি এ এক অনন্য স্বাদের খাবার। গরমে এর কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু পান্তা ভাতের গুনাগুন শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। অনেকেরই ধারণার বাইরে। পান্থা ভাত কি শুধু স্বাদের জন্য পছন্দ করি, নাকি তার কিছু গুনাগুন আছে? পান্তাভাতের সঙ্গে চাই গন্ধরাজ লেবু, কাঁচা পেয়াজ, কাঁচা লঙ্কা। তার সঙ্গে পোস্তের বরা বা ডালের বরা হলে মন্দ নয়। পান্তা ভাতের গাজন বা ফার্মান্টেশনের জন্য ভিটামিন বি ১২, ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম তৈরি হয়। এটি শুধু শরীরের ভিতরকে ঠান্ডা করে না পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পান্তা ভাত যেমন অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে তেমনি তার পুষ্টিগুন জনতি বৃদ্ধিতে রক্ত শূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। শরীরে ক্লান্তি ও অনিদ্রা দূর করে। ত্বক ও চুলকে ভালো রাখা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে।কিভাবে এই খাবার তৈরি করবেন? পান্তা ভাত তৈরির জন্য বিশুদ্ধ খাবার জলে ভাত ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা উচিত। ১২ ঘন্টার বেশি ভিজিয়ে রাখলে পেটের অসুখ হতে পারে। পান্তা ভাতের এই ফার্মান্টেশন শরীরের ঘুম ঘুম ভাব এনে থাকে অর্থাৎ অনিদ্রা দূর করে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

গৃহস্থের বাজেটে আগুন! তিন মাস পর আবার দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

সাধারণ মানুষের জন্য ফের বড় ধাক্কা। তিন মাস পর আবার বাড়ানো হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম। ৭ জুন থেকে সারা দেশে বাড়ির ব্যবহারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা বৃদ্ধি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর কলকাতায় একটি গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়াল ৯৬৮ টাকা।তবে এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। কলকাতায় উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের বর্তমান দাম ৩২৫৫ টাকা ৫০ পয়সা।বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামের উপর চাপ তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে গ্যাস, পেট্রোল এবং ডিজেলের বাজারেও। চলতি বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসও।গত বছরের জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত রান্নার গ্যাসের দাম মোট ৮৯ টাকা বেড়েছে। এর আগে মার্চ মাসে একবারে ৬০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ বৃদ্ধির পর দিল্লিতে গৃহস্থালি গ্যাসের দাম হয়েছে ৯৪২ টাকা, মুম্বইয়ে ৯৪১ টাকা ৫০ পয়সা, চেন্নাইয়ে ৯৫৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং কলকাতায় ৯৬৮ টাকা।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস কম দামে বিক্রি করার কারণে তেল সংস্থাগুলির আর্থিক চাপ বাড়ছে। সেই ক্ষতি কিছুটা সামাল দিতেই গৃহস্থালি গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও গত কয়েক মাসে একাধিকবার বেড়েছে। এপ্রিল মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ২১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। মে মাসে এক ধাক্কায় প্রায় এক হাজার টাকা বৃদ্ধি পায় দাম। এরপর জুন মাসের শুরুতে আরও ৫৩ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানো হয় বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্য।সব মিলিয়ে রান্নার গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ আরও বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন অনেকেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত গৃহস্থের উদ্বেগ আরও বাড়াবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের একাংশের।

জুন ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal